অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন...

al-ihsan.net
বাংলা | English

ইসলামিক শিক্ষা - ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৩
 
১১ই রবীউছ ছানী ফাতিহা-ই ইয়াজদাহাম
মাওলানা মুফতী সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল হালিম, কুড়িগ্রাম।

৫৬১ হিজরী ১১ই রবীউছ ছানী সোমবার সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গাউসুল আ’যম, মাহবুবে সুবহানী, মুহিউদ্দীন, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর সাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বিছাল শরীফ লাভ করেন। সেদিন থেকে অদ্যাবধি সারা বিশ্বের সকল মুসলমান ওই মুবারক দিনটি ফাতেহা-ই ইয়াজদাহম রূপে পালন করে আসছে। ইনশাআল্লাহ ক্বিয়ামত পর্যন্ত এই ধারা জারি বা অব্যাহত থাকবে। যারা বিশ্বের সকল মুসলমান ওই দিনটি পালন করে মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের রহমত, বরকত, সাক্বীনা, দয়া, দান, ইহসান যেদিন খাছভাবে লাভ করে থাকে।
মহান আল্লাহ পাক উনার মহান কুদরত উনার প্রকাশস্থল হচ্ছেন ওলীআল্লাহগণ। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পর্দা করার পর থেকে যুগে যুগে যত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা অতীত হয়েছেন সবার উপরই সেই মহান কুদরত মুবারক কিছু না কিছু জাহির হয়েছে।
সাইয়্যিদুল আউলিয়া, মাহবুবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী, গাউছুল আ’যম, মুজাদ্দিদে যামান, আওলাদে রসূল, মুহিউদ্দীন হযরত বড়পীর সাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিষয়টি একটু ব্যতিক্রমধর্মী। অর্থাৎ উনার ক্ষেত্রে বিষয়টি আরো ব্যাপক, অর্থবহ এবং গভীরভাবে লক্ষ্য করার মতো। তিনি ৪৭১ হিজরী ১লা রমাদ্বান শরীফ ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীমি তথা সোমবার শরীফ ছুবহে ছাদিকের পূর্বে ইরানের অন্তর্গত জিলান শহরে তাশরীফ আনেন। বিলাদত শরীফ উনার দিন থেকে তিনি রোযা রেখেছিলেন। আর সেদিন থেকেই পথহারা আত্মভোলা মানুষদেরকে সঠিক পথের সন্ধান দান করেছেন। অন্ধকার থেকে আলোর দিকে নিয়ে এসেছেন অতি অল্প বয়স মুবারক থেকেই। উনাকে দেখে সবাই মহান আল্লাহ পাক এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহান কুদরত মুবারক উনার কথা স্মরণ করতে শুরু করে দেন। তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার ১৫/১৯ পারা হিফয করেন উনার আম্মা, আমাতুল জাব্বার, উম্মুল খায়ের সাইয়্যিদাতুনা হযরত ফাতিমা রহমতুল্লাহি আলাইহা উনার পবিত্র রেহেম শরীফ উনার মধ্যে অবস্থানকালীন সময়ে।
বাল্যকাল থেকেই উনার সাথী ছিলেন ফেরেশতাগণ। তিনি যেদিন মক্তবে গেলেন সেদিন বসার জায়গা ছিলো না। উনার সঙ্গী মানুষরূপী হযরত ফেরেশতা আলাইহিস সালাম উনাদের মধ্যে থেকে একজন বললেন, ওলীআল্লাহ উনার জন্য জায়গা ছেড়ে দাও। আর সাথে সাথে জায়গা করে দেয়া হলো। স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা ছিলেন উনার তরবিয়ত দাতা।
তিনি যখন অন্যান্য শিশুদের সাথে মাঠে যাওয়ার জন্য বের হতেন তখন গাইবী (অদৃশ্য) আওয়াজ শুনতে পেতেন, “হে বরকতময় শিশু! আপনি আমার কাছে চলে আসুন।” এ বাণী মুবারক শুনে তিনি আর মাঠে যেতে পারতেন না। ঘরে ফিরে স্নেহময়ী মা উনাকে এ ঘটনা বলতেন। তখন উনার সম্মানিত মাতা তিনি অতি সহজেই বুঝতে পারতেন এ সন্তান সাধারণ সন্তান নন।







For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal