অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন...

al-ihsan.net
বাংলা | English

দেশের খবর - ২ জুলাই, ২০১৩
 
জন্মদানকালে প্রতি বছর ১৫ হাজার প্রসূতির মৃত্যু
নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশে প্রতি বছর সন্তান ভূমিষ্টকালে ১৫ হাজার প্রসূতি মায়ের মৃত্যু হয়। গতকাল সোমবার শরীফ দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি মিলনায়তনে ‘চর ও উপকূলীয় অঞ্চলের মাতৃমৃত্যু ও যাতায়াত: সমস্যা ও জনগণের প্রত্যাশা’ শীর্ষক সংলাপে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ (ক) অনুচ্ছেদে জনসাধারণের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার বিষয়টি উল্লেখ থাকলেও বর্তমানে বাস্তব চিত্রের মিল নেই।
তারা বলেন, দেশের ৬৪টি জেলা শহরের বেশির ভাগ হাসপাতালেই প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক ও জনবল নেই। ফলে, প্রতি লাখে ১৯৪ জন প্রসূতির মৃত্যু হয় (২০১১ সালের বাংলাদেশ সরকারের মাতৃমৃত্যু জরিপ অনুযায়ী)। অর্থাৎ প্রতি বছর ১৫ হাজার নারীর মৃত্যু হয়।
এশিয়া ফাউন্ডেশন, ইউএসআইডি, ইউকেএইড’র সহায়তায় বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ, পাবলিক পলিসি ফোরাম ও ঢাকাস্থ সন্দ্বীপ সমিতি এ সংলাপের আয়োজন করে।
সংলাপে গবেষণাপত্র উপস্থাপনকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মেজবাহ কামাল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সালমা আকতার বলেন, “চট্টগ্রাম, পটিয়া, সন্দ্বীপ, সিরাজগঞ্জ, কাজীপুর ও উল্লাপাড়া এলাকায় গবেষণা করে দেখা গেছে, আরো পাঁচ লাখ নারী প্রসবজনিত নানা সমস্যায় ভোগেন, যা তাদের উৎপাদনশীলতাকে খর্ব করে সুস্থভাবে শিশু পালনের ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। এমনকী অল্প দিনের মধ্যে তাদের মৃত্যুও ঘটে।”
তারা বলেন, “এখনও ৬৮ শতাংশ শিশুর জন্ম হয় অদক্ষ দাইয়ের হাতে এবং এ সময়ই শতকরা ৮০ ভাগ মাতৃমৃত্যু ঘটে।” গবেষণা অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবা চিত্র তুলে ধরে বক্তারা জানান, সন্দ্বীপে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে মোট একশ ২০ জন মাঠকর্মী এবং ২৪ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ধাত্রী থাকা সত্ত্বেও প্রশিক্ষণবিহীন ধাত্রীদের ওপর নির্ভর করতে হয়। কারণ, পাঁচ হাজার টাকা হাতে না পাওয়া পর্যন্ত তারা চিকিৎসা করেন না।
পটিয়াতে প্রতি ওয়ার্ডে একটি করে ২২টি ইউনিয়নে মোট ৬৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে মাত্র ১৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে।
কাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের নেতৃস্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা করে জানা গেছে, ওই এলাকায় মাত্র ২০ জন নারীর জন্য মাতৃত্ব ভাতার ব্যবস্থা রয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। সিরাজগঞ্জে ৮৪.৮ শতাংশ শিশুর জন্ম হয় বাড়িতে। এর মধ্যে ৭৯.৭ শতাংশ সনাতন দাইয়ের হাতে এবং ৫.১ শতাংশ প্রশিক্ষিত দাইয়ের তত্ত্বাবধানে জন্ম হয়।







For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal